পূর্ব শক্রতার জের ধরে রংপুরের পীরগঞ্জে স্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে স্বামীর কাছে তালাকনামা পাঠানোর অ’ভিযোগ উঠেছে

মোশারফ হোসেন নামে কাজির এক সহকারীর বিরু’দ্ধে। স্বামী-স্ত্রীর অজান্তেই এ তালাকের ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়

শুরু হয়েছে।পারিবারিক ও এলাকবাসীরা জানান, উপজে’লার ভেণ্ডাবাড়ী ইউনিয়নের জোতবাজ গ্রামের মোকছেদ আলী

প্রায় ২৫ বছর আগে একই ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের নার্গিস বেগমকে (৪০) বিয়ে করেন। তাদের সংসারে ৩ ছেলে রয়েছে। এর মধ্যে এক ছেলে বিদেশে থাকেন।

বেশ কিছুদিন ধরে ইউনিয়নটির নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) নুরুল ইসলামের সহকারী মোশারফ হোসেনের সাথে ওই

দম্পতির বিরোধ ছিল। এর জের ধরে মোশাররফ হোসেন নার্গিস বেগমের স্বাক্ষর জাল করে গত ১৯ জানুয়ারি একটি তালাকনামা তৈরী করেন।

৭ ফেব্রুয়ারি গ্রাম পু’লিশ সদস্য রমজান আলীর মাধ্যমে তালাকনামাটি মোকছেদ আলীর কাছে পাঠান তিনি। এ সময় ওই দম্পতি বাড়িতেই ছিলেন।

ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়ে ওই স্ত্রীকে গ্রাম থেকে বের করে দেন। পরে তিনি বাবার বাড়ি মহেশপুরে চলে যান।

নার্গিস বেগম বলেন, ‘প্রায় ২৫ বছর ধরে সুখে শান্তিতে সংসার করছি। তিন ছেলেও রয়েছে আমা’দের। এক ছেলে

বিদেশে থাকেন। অথচ কাজি আমা’র স্বাক্ষর দিয়ে আমা’র স্বামীকে তালাক দেখিয়েছে। আমি তো তালাক দেইনি।’

স্বামী মোকছেদ আলী বলেন, ‘আমর’া এক সাথেই আছি। অথচ তালাকনামা দেয়া হলো। কাজি মোশারফের সাথে আমা’র শত্রুতা আছে।’

এ বি’ষয়ে জানতে কাজির সহকারী মোশারফ হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কে’টে দেন।’

ভেন্ডাবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, ‘পরিবারটি কাজির কুকর্মের শি’কার। ইউনিয়নের কাজী নুরুল

ইসলামের উচিত ছিল, বি’ষয়টি খতিয়ে দেখা। তিনি কোনোভাবেই এই দায় এড়াতে পারেন না। আমর’া বি’ষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান করার চে’ষ্টা করবো ‘

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *