1. [email protected] : Nirob Ahmed : Nirob Ahmed
  2. [email protected] : Nur Mohammad : Nur Mohammad
বিজয়ের ব্যাটে আগুন, বোলিং করে পেলো উইকেট
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

বিজয়ের ব্যাটে আগুন, বোলিং করে পেলো উইকেট

  • সময় : শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৮ ০ পঠিত
দুর্দান্ত

চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের শুরু থেকেই ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের ডানহাতি ওপেনার এনামুল হক বিজয়। আসরে এরই মধ্যে হাঁকিয়েছেন ৫ ফিফটি ও ২ সেঞ্চুরি। তবে এবার তিনি চমক দেখালেন বল হাতেও।

শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে লিস্ট এ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো বোলিং করেছেন বিজয়। নিজের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই নিয়েছেন উইকেট। সবমিলিয়ে ৪ ওভার হাত ঘোরান তিনি।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে বল হাতে উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে রান তাড়ায় নেমে ৮৫ রানের ইনিংস খেলেছেন বিজয়। তবু জয় পায়নি তার দল। অন্য ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ৪ রানের ব্যবধানে হারতে হয়েছে প্রাইম ব্যাংককে।

বিজয়ের বল হাতে উইকেট নেওয়ার ইনিংসে লড়াকু সেঞ্চুরি করেন গাজী গ্রুপের ওপেনার মেহেদি মারুফ। যার সুবাদে ২৫৬ রানের সংগ্রহ পায় গাজী গ্রুপ। পরে জবাব দিতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫২ রানের বেশি করতে পারেনি প্রাইম ব্যাংক।

অথচ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো ছিল প্রাইম ব্যাংকের। দুই ওপেনার এনামুল বিজয় ও শাহাদাত হোসেন দীপু গড়েন ৫২ রানের জুটি। দীপু ২২ রান করে আউট হন। সেখান থেকে দ্বিতীয় উইকেটে ১১৭ রান যোগ করেন অভিমান্যু ঈশ্বর ও বিজয়।

তবে ইনিংসের ৩২তম ওভারে অভিমান্যু ও এনামুল বিজয়কে আউট করে ম্যাচের পাল্লা নিজেদের দিকে নিয়ে নেন মাহমুদুল হাসান। অভিমান্যুর ব্যাট থেকে আসে ৫৭ রান। আসরে তৃতীয় সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে ৮৫ রানে থামেন বিজয়।

এই ইনিংসের পর চলতি লিগে ৮ ম্যাচে ৫ ফিফটি ও ২ সেঞ্চুরিতে ৮০.৮৮ গড়ে ৭২৮ হয়ে গেছে বিজয়ের। লিস্ট ‘এ’ স্বীকৃতি পাওয়ার পর এক আসরে সর্বোচ্চ ৮১৪ রানের রেকর্ড রয়েছে সাইফ হাসানের। সেটি ভাঙতে আরও ৬ ম্যাচে মাত্র ৮৭ রান দরকার বিজয়ের।

একই ওভারে বিজয় ও অভিমান্যু আউট হওয়ার পর ১০৮ বলে ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ৮৭ রান করতে হতো প্রাইম ব্যাংকের। কিন্তু নাসির হোসেন, মোহাম্মদ মিঠুনদের ব্যর্থতায় তা করা সম্ভব হয়নি। মিঠুন ৮ ও নাসির ১৫ রান করে আউট হন।

পরে নাহিদুল ইসলাম (৩৩ বলে ৩৪) ও রাকিবুল হাসানের কনকাশন সাব হিসেবে নামা মনির হোসেন (১৩ বলে অপরাজিত ১৪) চেষ্টা করেও দলকে জেতাতে পারেননি। দারুণ ডেথ বোলিংয়ে ৪ রানে ম্যাচ জিতেছে গাজী গ্রুপ।

দলটির পক্ষে বল হাতে ৩টি করে উইকেট নেন রাকিবুল আতিক ও হুসনা হাবিব। মাহমুদুলের শিকার ২ উইকেট। এ জয়ের পর ৮ ম্যাচে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে অবস্থান করে আকবর আলির নেতৃত্বাধীন দলটি।

এর আগে মেহেদি মারুফের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৯ উইকেটে ২৫৬ রান করে গাজী গ্রুপ। ওপেনিংয়ে নেমে ৪৬তম ওভার পর্যন্ত ব্যাটিং করেছেন মেহেদি মারুফ। চার নম্বরে নামা আল আমিন জুনিয়র তৃতীয় উইকেটে তাকে অনেকটা সময় সঙ্গ দিয়েছিলেন। তাতে ৮২ রানের জুটিও গড়ে উঠে।

৩০ ওভার শেষে ২ উইকেটেই ১৫০ রান ছিল গাজী গ্রুপের। কিন্তু ৪৪ বলে ৩৫ রান করে আল আমিন আউট হওয়ার পরই একা হয়ে পড়েন মারুফ। গুরিন্দর সিং (৫), আকবর আলি (৫), জুবারুল ইসলামরা (১৮) দাঁড়াতে পারেননি।

শেষ পর্যন্ত ইনিংসের ৪৬তম ওভারে ধৈর্য হারান মারুফও। ১৪০ বলে ১২ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ১১৮ রান করে রেজাউর রহমান রাজার শিকার হন গাজী গ্রুপের ওপেনার। লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারে এটি তার সপ্তম সেঞ্চুরি।

প্রাইম ব্যাংকের রাজা ৩ উইকেট পেলেও খরচ করেন ৭৮ রান। ১০ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন জাতীয় দল থেকে ছিটকে পড়া পেসার রুবেল হোসেন।

তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল এনামুল বিজয়ের উইকেট প্রাপ্তি। ইনিংসের ১৭তম ওভারে লিস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো বল হাতে তুলে নেন বিজয়। সেই ওভারের দ্বিতীয় বলেই ফরহাদ হোসেনকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন তিনি।

এখান থেকে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

এই জাতীয় আরে খবর
© All rights reserved © 2021 @CTnews Sports
Design CTnews Sports