1. [email protected] : Nirob Ahmed : Nirob Ahmed
  2. [email protected] : Nur Mohammad : Nur Mohammad
ডান হাত, বাঁ হাত—দুই হাতেই বোলিং হাবিবের
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১০:৩৬ অপরাহ্ন

ডান হাত, বাঁ হাত—দুই হাতেই বোলিং হাবিবের

  • সময় : শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৫ ০ পঠিত
স্ট্রাইকে ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান স্ট্রাইকে থাকায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের হুসনা হাবিব ওভারের প্রথম পাঁচটি বল করলেন অফ স্পিন। পঞ্চম বলে সিঙ্গেল নিয়ে তামিম প্রান্ত বদল করলে স্ট্রাইক পেয়ে যান উদ্বোধনে তামিমের সঙ্গী এনামুল হক। এনামুল আবার ডানহাতি। তাই এনামুলের জন্য হাবিব ওভারের শেষ বলটা করলেন বাঁ হাতে। ঠিক শুনেছেন। গতকাল বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচে একই ওভারে অফ স্পিন ও বাঁহাতি স্পিন করেছেন হুসনা হাবিব। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন হুসনা হাবিব (ডানে) হুসনা হাবিব (ডানে)ফাইল ছবি ২৬ বছর বয়সী গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের এই ক্রিকেটার মূলত ডানহাতি। ব্যাটিং তিনি ডানহাতেই করেন। তবে ছোটবেলায় বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ রফিককে দেখে বাঁহাতি স্পিন শুরু করেন রাজশাহীর এই ক্রিকেটার। ২০১৩ সাল থেকে বাঁহাতি স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে ঢাকায় ক্লাব ক্রিকেট খেলছেন তিনি। করোনায় খেলা বন্ধ থাকার সময়ে তিনি অফ স্পিন বোলিংটাও রপ্ত করেন। এবার প্রিমিয়ার লিগে নিজের অভিষেক মৌসুমে তিনি ‘সব্যসাচী বোলার’ হয়ে ওঠেন। আজ নিজের দুই হাতে বোলিংয়ের গল্প শোনাতে গিয়ে প্রথম আলোকে হুসনা হাবিব বলছিলেন, ‘আমি মূলত ডানহাতি ব্যাটসম্যান। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই বাঁহাতি বোলিং করতাম। আমার বড় ভাই সবার আগে বলেছিলেন বাঁহাতি স্পিন করার জন্য। কারণ তখন রফিক ভাইরা খেলতেন। তখন ধীরে ধীরে বাঁহাতি বোলার হয়ে যাই। আমি ক্রিকেটে সবকিছুই করি ডান হাতে। কিন্তু বোলিংটা বাঁহাতি করতে করতে স্ট্রেন্থ চলে এসেছে। আমি ঢাকা লিগে সব সময়ই লেফট আর্ম স্পিনই করে গিয়েছি।’ বিজ্ঞাপন করোনার সময়ে পেশাদার ক্রিকেট বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশজুড়ে খেপ খেলা ঠিকই চলেছে। হাবিবের অফ স্পিন দক্ষতার জন্ম সেই খেপের চাহিদা মেটাতেই। হাবিব বলেন, ‘খেপের মাঠগুলো খুব ছোট থাকে। তখন বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের বাঁহাতি স্পিন করলে প্রচুর মার খেতে হতো। ওদের জন্য শট খেলা সহজ হয়ে যায়। তাই ভাবলাম, কেন আমি ডান হাতে স্পিন করছি না। ফাজলামি করেই শুরু করা। এরপর ধীরে ধীরে গুরুত্ব দিয়ে করা শুরু করি। আমার কোচও উৎসাহ দিলেন। এর পর থেকেই নিয়মিত করছি।’ এবারের ঢাকা লিগে শেখ জামালের অধিনায়ক ইমরুল কায়েসকে প্রথমবারের মতো অফ স্পিন বোলিং করেন হাবিব। তবে পুরো টুর্নামেন্টে ১৩ ম্যাচ খেলে হাবিবের ১৩ উইকেট সব কটিই এসেছে বাঁহাতি স্পিনে। শায়লা শারমিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই হাতে বোলিং করে ‘সব্যসাচী’ বোলারদের তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন শায়লা শারমিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই হাতে বোলিং করে ‘সব্যসাচী’ বোলারদের তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন ফাইল ছবি অফ স্পিন দিয়ে উইকেট না পেলেও রান থামিয়ে রাখতে পেরে খুশি হাবিব, ‘খেপে অফ স্পিন করে অনেক উইকেট পেয়েছি। প্রিমিয়ার লিগে অবশ্য অফ স্পিন করে উইকেট পাইনি। কিন্তু আমি রান থামিয়ে রাখতে পেরেছি। প্রিমিয়ার লিগে একটা উইকেট প্রায় পেয়ে গিয়েছিলাম। সেটাও তামিম ভাইয়ের। কিন্তু ক্যাচ মিস হওয়ায় উইকেটটা পাইনি। আমার খুব বেশি বোলিংও করা হয়নি। কারণ বেশির ভাগ সময় ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের বোলিং করায় আমি বাঁহাতি স্পিনই করেছি।’ এর আগে বাংলাদেশ নারী দলের অলরাউন্ডার শায়লা শারমিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই হাতে বোলিং করে ‘সব্যসাচী’ বোলারদের বিরলতম তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন। শ্রীলঙ্কার কামিন্দু মেন্ডিস, ভারতের অক্ষয় কারনেওয়ার ও পাকিস্তানের ইয়াসির জানের নাম জানা গেছে এর আগে। পাকিস্তানের হানিফ মোহাম্মদ, হাসান তিলকরত্নে, গ্রাহাম গুচ, ইয়ান হার্ভির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই হাতে বোলিং করার ঘটনা আছে। বাংলাদেশে ছেলেদের ক্রিকেটে হাবিবই প্রথম সব্যসাচী বোলার কি না, সেটা অবশ্য গবেষণার বিষয়।

স্ট্রাইকে ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান স্ট্রাইকে থাকায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের হুসনা হাবিব ওভারের প্রথম পাঁচটি বল করলেন অফ স্পিন। পঞ্চম বলে সিঙ্গেল নিয়ে তামিম প্রান্ত বদল করলে স্ট্রাইক পেয়ে যান উদ্বোধনে তামিমের সঙ্গী এনামুল হক। এনামুল আবার ডানহাতি। তাই এনামুলের জন্য হাবিব ওভারের শেষ বলটা করলেন বাঁ হাতে।

ঠিক শুনেছেন। গতকাল বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচে একই ওভারে অফ স্পিন ও বাঁহাতি স্পিন করেছেন হুসনা হাবিব।

২৬ বছর বয়সী গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের এই ক্রিকেটার মূলত ডানহাতি। ব্যাটিং তিনি ডানহাতেই করেন। তবে ছোটবেলায় বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ রফিককে দেখে বাঁহাতি স্পিন শুরু করেন রাজশাহীর এই ক্রিকেটার। ২০১৩ সাল থেকে বাঁহাতি স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে ঢাকায় ক্লাব ক্রিকেট খেলছেন তিনি। করোনায় খেলা বন্ধ থাকার সময়ে তিনি অফ স্পিন বোলিংটাও রপ্ত করেন। এবার প্রিমিয়ার লিগে নিজের অভিষেক মৌসুমে তিনি ‘সব্যসাচী বোলার’ হয়ে ওঠেন।

আজ নিজের দুই হাতে বোলিংয়ের গল্প শোনাতে গিয়ে প্রথম আলোকে হুসনা হাবিব বলছিলেন, ‘আমি মূলত ডানহাতি ব্যাটসম্যান। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই বাঁহাতি বোলিং করতাম। আমার বড় ভাই সবার আগে বলেছিলেন বাঁহাতি স্পিন করার জন্য। কারণ তখন রফিক ভাইরা খেলতেন। তখন ধীরে ধীরে বাঁহাতি বোলার হয়ে যাই। আমি ক্রিকেটে সবকিছুই করি ডান হাতে। কিন্তু বোলিংটা বাঁহাতি করতে করতে স্ট্রেন্থ চলে এসেছে। আমি ঢাকা লিগে সব সময়ই লেফট আর্ম স্পিনই করে গিয়েছি।’

করোনার সময়ে পেশাদার ক্রিকেট বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশজুড়ে খেপ খেলা ঠিকই চলেছে। হাবিবের অফ স্পিন দক্ষতার জন্ম সেই খেপের চাহিদা মেটাতেই। হাবিব বলেন, ‘খেপের মাঠগুলো খুব ছোট থাকে। তখন বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের বাঁহাতি স্পিন করলে প্রচুর মার খেতে হতো। ওদের জন্য শট খেলা সহজ হয়ে যায়। তাই ভাবলাম, কেন আমি ডান হাতে স্পিন করছি না। ফাজলামি করেই শুরু করা। এরপর ধীরে ধীরে গুরুত্ব দিয়ে করা শুরু করি। আমার কোচও উৎসাহ দিলেন। এর পর থেকেই নিয়মিত করছি।’

এবারের ঢাকা লিগে শেখ জামালের অধিনায়ক ইমরুল কায়েসকে প্রথমবারের মতো অফ স্পিন বোলিং করেন হাবিব। তবে পুরো টুর্নামেন্টে ১৩ ম্যাচ খেলে হাবিবের ১৩ উইকেট সব কটিই এসেছে বাঁহাতি স্পিনে।

অফ স্পিন দিয়ে উইকেট না পেলেও রান থামিয়ে রাখতে পেরে খুশি হাবিব, ‘খেপে অফ স্পিন করে অনেক উইকেট পেয়েছি। প্রিমিয়ার লিগে অবশ্য অফ স্পিন করে উইকেট পাইনি। কিন্তু আমি রান থামিয়ে রাখতে পেরেছি। প্রিমিয়ার লিগে একটা উইকেট প্রায় পেয়ে গিয়েছিলাম। সেটাও তামিম ভাইয়ের। কিন্তু ক্যাচ মিস হওয়ায় উইকেটটা পাইনি। আমার খুব বেশি বোলিংও করা হয়নি। কারণ বেশির ভাগ সময় ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের বোলিং করায় আমি বাঁহাতি স্পিনই করেছি।’

এর আগে বাংলাদেশ নারী দলের অলরাউন্ডার শায়লা শারমিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই হাতে বোলিং করে ‘সব্যসাচী’ বোলারদের বিরলতম তালিকায় নাম লিখিয়েছিলেন।

শ্রীলঙ্কার কামিন্দু মেন্ডিস, ভারতের অক্ষয় কারনেওয়ার ও পাকিস্তানের ইয়াসির জানের নাম জানা গেছে এর আগে। পাকিস্তানের হানিফ মোহাম্মদ, হাসান তিলকরত্নে, গ্রাহাম গুচ, ইয়ান হার্ভির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই হাতে বোলিং করার ঘটনা আছে। বাংলাদেশে ছেলেদের ক্রিকেটে হাবিবই প্রথম সব্যসাচী বোলার কি না, সেটা অবশ্য গবেষণার বিষয়।

এখান থেকে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

এই জাতীয় আরে খবর
© All rights reserved © 2021 @CTnews Sports
Design CTnews Sports