1. [email protected] : Nirob Ahmed : Nirob Ahmed
  2. [email protected] : Nur Mohammad : Nur Mohammad
একের পর এক রেকর্ড ভেঙ্গে চলেছে বাংলাদেশের ফুটবল জাদুকর
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১১:৪৮ অপরাহ্ন

একের পর এক রেকর্ড ভেঙ্গে চলেছে বাংলাদেশের ফুটবল জাদুকর

  • সময় : শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০২২
  • ৫২ ০ পঠিত
রেকর্ড

রেকর্ড
একটা সময় সাধারণ জ্ঞান বইয়ে পড়তে হতো কোনো বাংলাদেশির নাম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে উঠেছে। মুখস্থ হতে সময় লাগত না, কেননা অল্প কটিই তো নাম।

কিন্তু তরুণ কনক কর্মকার যেন এই রেকর্ডকে পানিভাত বানিয়ে ছাড়ছেন। ভাঙছেন একের পর ভেক রেকর্ড। ইতোমধ্যে গিনেস বুকে ২০ বার নিজের নাম লিখিয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ কনক কর্মকার।

বর্তমানে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। অথচ ফুটবল দিয়ে কারিশমা দেখিয়ে একের পর এক তিনি চমক সৃষ্টি করেই যাচ্ছেন।

সেই সঙ্গে করছেন গিনেস বুকে একের পর এক রেকর্ড। এসব রেকর্ড গড়েছেন কাপ ব্যালান্সিং ও ফুটবল ব্যালান্সিংয়ে। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ওপর কলাকৌশলের মাধ্যমে ফুটবল স্থির রাখাই হলো ফুটবল ব্যালান্সিং।

২০ টি রেকর্ড গড়ার পর কনক নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় আর আপনাদের সহযোগিতায় ১ম বাংলাদেশি হিসেবে ২০টি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সম্মাননা।

স্বপ্ন সেটা নয় যা তুমি ঘুমিয়ে দেখো, বরং স্বপ্ন সেটাই যা তোমাকে ঘুমোতে দেয় না। ছবিটির পেছনে আপনাদের ভালোবাসার সঙ্গে আমার তিন বছরের সাধনা ছিল। অসংখ্য ধন্যবাদ, আমাকে যারা সব সময় উৎসাহিত করে আসছে।

কনক বলেন, ছোটবেলা থেকে আমি পড়াশোনার পাশাপাশি আমার দেশের জন্য ভালো কিছু করার স্বপ্ন দেখতাম এবং নিজের কাজের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীর সামনে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে চেয়েছিলাম।

তাই ভিন্ন কিছু করার লক্ষ্যে ইউটিউবের মাধ্যমে পরিচিত হলাম ফুটবল ফ্রিস্টাইল জগতের সঙ্গে, সময়টা ছিল ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি। এর পর থেকে শুরু করলাম ফুটবল কসরত।

টানা এক বছর অনুশীলন, এরপর আয়ত্ত করলাম ফুটবলের নানা কৌশল। ফুটবলকে কপালে, নাকে, হাঁটুতে এবং মাথায় দীর্ঘ সময় ব্যালান্স করা শিখলাম।

তিনি বলেন, হঠাৎ একদিন এক বন্ধুর থেকে গিনেস বুক সম্পর্কে জানতে পারি। তখনই ঠিক করলাম আমি ব্যালান্সিংয়ের ওপর একটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করব।
রেকর্ড

এরপর শুরু হলো রেকর্ড গড়ার স্বপ্ন। স্বপ্ন দেখতে দেখতে কাজ করা শুরু করলাম। দীর্ঘ প্রশিক্ষণের পর আমি ২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি প্রথম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম এবং দেশের নাম লিপিবদ্ধ করতে সক্ষম হই।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিপিবদ্ধ করায় একটি স্ট্রিমিং অ্যাপের পক্ষ থেকে সম্মাননা জানিয়েছিল। এই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমাকে সম্মাননা জানান অভিনেত্রী পূর্ণিমা।

এখান থেকে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

এই জাতীয় আরে খবর
© All rights reserved © 2021 @CTnews Sports
Design CTnews Sports