1. [email protected] : Nirob Ahmed : Nirob Ahmed
  2. [email protected] : Nur Mohammad : Nur Mohammad
আবারও দেড়শো ছাড়ালেন মুশফিক
মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন

আবারও দেড়শো ছাড়ালেন মুশফিক

  • সময় : মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২
  • ২৪ ০ পঠিত
দেড়শো

বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দেড়শো রানের মালিক আগে থেকেই ছিলেন মুশফিকুর রহিম।

চলতি মিরপুর টেস্টের আগেই তার নামের পাশে ছিল চারটি দেড়শো রানের ইনিংস। এবার সেটিকে পাঁচে উন্নীত করলেন টাইগারদের এ অভিজ্ঞতম ব্যাটার।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় ঘণ্টায় দেড়শো রান পূরণ করেছেন মুশফিক। যা করতে তার লেগেছে ২৯১ বল।

প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টার ইনিংসে ১৯টি চার মেরেছেন তিনি। মুশফিকের ব্যাটেই শুরুর ধাক্কা এড়িয়ে লড়ছে বাংলাদেশ।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০০.২ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩৩৪ রান।

মুশফিক খেলছেন ১৫৬ রান নিয়ে। নয় নম্বরে নামা তাইজুল অপরাজিত ৮ রানে। এ জুটিতে এরই মধ্যে এসেছে ৩৮ রান।

আজ নতুন সকালের শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু বেশিক্ষণ সেটি ধরে রাখতে পারেননি না লিটন দাস।

দিনের অষ্টম ওভারে সাজঘরের পথ ধরেন ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস খেলা এ উইকেটরক্ষক ব্যাটার।

তার বিদায়ে ভাঙে ২৭২ রানের ইতিহাসগড়া জুটি।

লিটন ফেরার পর একই ওভারে আউট হয়ে গেছেন প্রায় সাড়ে তিন বছর পর টেস্ট খেলতে নামা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

আগেরদিনের করা ৫ উইকেটে ২৭৭ রান নিয়ে আজকের খেলা শুরু করেছিলেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস।

রাজিথার করা দিনের চতুর্থ ওভারে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আগের দিনের আধিপত্যের বার্তাই দেন মুশফিক।

কিন্তু নিজের পরের ওভারেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান এ ডানহাতি পেসার।

ইনিংসের ৯৩তম ওভারের প্রথম বলটি ছিল অফস্ট্যাম্পের বাইরে লেন্থ ডেলিভারি।

খোঁচা দিতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো কুশল মেন্ডিসের হাতে ধরা পড়ে যান লিটন।

মাত্র ৯ রানের জন্য প্রথমবারের মতো দেড়শ রানের মাইলফলক ছুঁতে পারেননি তিনি।

তবে ২৪৬ বলে ১৬ চার ও এক ছয়ে সাজানো ১৪১ রানের ইনিংসটি তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ।

লিটনের বিদায়ের ভেঙেছে ২৭২ রানের জুটি। বাংলাদেশের পক্ষে ষষ্ঠ উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি এটি।

সবমিলিয়ে এর চেয়ে বেশি রানের জুটি আছে কেবল দুইটি।

২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৫৯ রানের জুটি গড়েন মুশফিক ও সাকিব আল হাসান।

২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইমরুল কায়েস ও তামিম ইকবালের উদ্বোধনী জুটি ছিল ৩১২ রানের।

একইভাবে বলের সংখ্যায়ও এটি বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ। মুশফিক-লিটনের জুটিতে ৩৮৪ মিনিট খেলে মোকাবিলা করেছে ৫১৩ বল।

২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫১৮ বল খেলে ২৬৭ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিক ও মোহাম্মদ আশরাফুল।

গতবছর একই দলের বিপক্ষে মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্তর ২৪২ রানের জুটি হয়েছিল ৫১৪ বল খেলে।

লিটন-মুশফিকের জুটি ভাঙার পর তিন বল টিকতে পেরেছেন মোসাদ্দেক। অফস্ট্যাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে কট বিহাইন্ড হয়েছেন তিনি। যার সুবাদে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো টেস্ট ক্রিকেটে পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছেন রাজিথা। চট্টগ্রাম টেস্টেও একমাত্র ইনিংসে বোলিং করে চারটি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

একই ওভারে জোড়া ধাক্কা খেলেও দমে যাননি মুশফিক। বরং লেজের সারির ব্যাটার তাইজুলকে নিয়ে শুরু করেন নতুন লড়াই। উইকেটে আঁকড়ে পড়ে থাকার চেয়ে বরং রানের প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগানোর দিনেই মন দেন মুশফিক। রমেশ মেন্ডিসের করা ৯৯তম ওভারে মুখোমুখি ২৮৪তম বলে গিয়ে প্রথম রিভার্স সুইপ মারেন তিনি, পেয়ে যান বাউন্ডারি।

সেই ওভারেই পরের বলে দৃষ্টিনন্দন এক কভার ড্রাইভে ১৪০-র ঘরে ঢুকে যান মুশফিক। প্রবীণ জয়াবিক্রমের পরের ওভারে মুশফিকের পাশাপাশি তাইজুলও হাঁকান বাউন্ডারি। যা স্বস্তির বাতাস বইয়ে দেয় টাইগার শিবিরে। তবে সেই ওভারে দেড়শো হয়নি মুশফিকের, অপেক্ষা করেন ১৪৯ রানে দাঁড়িয়ে।

রমেশের করা ১০১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অনসাইডে খেলে দ্রুত দুই রান নিয়েই ক্যারিয়ারে পঞ্চমবারের মতো দেড়শো ছাড়িয়ে যান মুশফিক। বাংলাদেশের পক্ষে তিনবার দেড়শো ছাড়িয়েছেন মুমিনুল হক, তামিমের রয়েছে দুইটি দেড়শো রানের ইনিংস। এ দুজনের চেয়ে বেশ এগিয়েই রইলেন মুশফিক।

এখান থেকে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

এই জাতীয় আরে খবর
© All rights reserved © 2021 @CTnews Sports
Design CTnews Sports